Friday, October 5, 2018
Sunday, March 11, 2018
দেখতে চাই
“দেখতে চাই”
—মহাদেব সাহা
আমাকে দেখাও তুমি দূরের আকাশ ওই
দূরের পৃথিবী
আমি তো দেখতে চাই কাছের
জীবন,
তুমি আমাকে দেখাতে চাও দূর
নীহারিকা,
সমুদ্র- সৈকত
দিগন্তরেখা,দূরের পাহাড়;
তুমি চাও আরো দূরে, দূর দেশে
আমাকে দেখাতে কোন রম্য দ্বিপ,
স্নিগ্ধ জলাশয়,
আমি চাই দেখতে কেবল
চেনা সরোবর,কাছের নদীটি!
আমাকে দেখাতে চাও বিশাল জগত,
নিয়ে যেতে চাও অনন্তের কাছে,
আমার দৃষ্টি খুবই সীমাবদ্ধ—
অতো দূরে যায় না আমার
চোখ;
কেবল দেখতে চাই জীবনের
কাছাকাছি যেসব অঞ্চল,
দূরের নক্ষত্র থাক তুমি এই নিকটের
মানচিত্র আমাকে দেখাও,
দেখাও নদীর কূল,চালের কুমড়ো
লতা,বাড়ির উঠোন
দূরের রহস্য নয়,কেবল বুঝতে চাই
তোমার হৃদয়……….
দেখতে চাই
“দেখতে চাই”
—মহাদেব সাহা
আমাকে দেখাও তুমি দূরের আকাশ ওই
দূরের পৃথিবী
আমি তো দেখতে চাই কাছের
জীবন,
তুমি আমাকে দেখাতে চাও দূর
নীহারিকা,
সমুদ্র- সৈকত
দিগন্তরেখা,দূরের পাহাড়;
তুমি চাও আরো দূরে, দূর দেশে
আমাকে দেখাতে কোন রম্য দ্বিপ,
স্নিগ্ধ জলাশয়,
আমি চাই দেখতে কেবল
চেনা সরোবর,কাছের নদীটি!
আমাকে দেখাতে চাও বিশাল জগত,
নিয়ে যেতে চাও অনন্তের কাছে,
আমার দৃষ্টি খুবই সীমাবদ্ধ—
অতো দূরে যায় না আমার
চোখ;
কেবল দেখতে চাই জীবনের
কাছাকাছি যেসব অঞ্চল,
দূরের নক্ষত্র থাক তুমি এই নিকটের
মানচিত্র আমাকে দেখাও,
দেখাও নদীর কূল,চালের কুমড়ো
লতা,বাড়ির উঠোন
দূরের রহস্য নয়,কেবল বুঝতে চাই
তোমার হৃদয়……….
মিথিলার চিঠি- মেহেদি পাতা
অনন্ত,
মেহেদী পাতা দেখেছো নিশ্চয়ই।
ওপরে সবুজ,
ভেতরে রক্তাক্ত ক্ষত-
বিক্ষত।
নিজেকে আজকাল বড়
বেশী মেহেদী পাতার
মতো মনে হয় কেন?
ওপরে আমি অথচ
ভেতরে কষ্টের
যন্ত্রণার এমন সব বড়
বড় গর্ত যে,তার
সামনে দাঁড়াতে নিজেরই
ভয় হয় অনন্ত।
তুমি কেমন আছো?
বিরক্ত হচ্ছো না তো?
ভালোবাসা যে মানুষকে অসহায়ও
করে তুলতে পারে সেদিন
তোমায় দেখার আগ
পর্যন্ত আমার
জানা ছিলো না।
তোমার উদ্দাম
ভালোবাসার
দ্যুতি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছার-
খার
করে ফেলেছে আমার
ভেতর আমার বাহির।
আমারই
হাতে গড়া আমার
পৃথিবী।
অনন্ত,
যে মিথিলা সুখী হবে বলে ভালোবাসার
পূর্ণ চন্দ্র
গিলে খেয়ে ভেজা মেঘের
মতো উড়তে উড়তে চলে গেলো
আজন্ম
শূণ্য
অনন্তকে আরো শূণ্য
করে দিয়ে তার
মুখে এসবকথা মানায়
না আমি জানি।
কিন্তু আমি আর
এভাবে এমন
করে পারছিনা।
আমার চারদিকের
দেয়াল জুড়ে থই থই
করে আমার স্বপ্ন
খুনের রক্ত। উদাস
দুপুরে বাতাসে শীষ
দেয় তোমার সেই
ভালোবাসা,
পায়ে পায়ে ঘুরে ফেরে ছায়ার
মতন তোমারই স্মৃতি,
আমি আগলাতেও
পারি না,
আমি ফেলতেও
পারি না।
সুখী হতে চেয়ে এখন
দেখি দাঁড়িয়ে আছি একলা আমি;
কষ্টের তুষার
পাহাড়ে।
অনন্ত, তোমার
সামনে দাড়ানোর
কোন যোগ্যতাই আজ
আমার অবশিষ্ট নেই,
তবুও . . . তবুও তুমিই
একদিন বলেছিলে,
“ভেজা মেঘের
মতো অবুঝ
আকাশে উড়তে উড়তে জীবনের
সুতোয় যদি টান
পড়ে কখনো,
চলে এসো . . . চলে এসো,
বুক পেতে দেবো, আকাশ
বানাবো আর
হাসনাহেনা ফোটাবো”।
সুতোয় আমার টান
পড়েছে অনন্ত, তাই আজ
আমার সবকিছু, আমার
একরোখা জেদ,
তুমিহীন সুখী হওয়ার
অলীক স্বপ্ন, সব . . .
সবকিছু
জলাঞ্জলি দিয়ে তোমার
সামনে আমি নতজানু।
আমায় তোমাকে আর
একবার ভিক্ষে দাও।
কথা দিচ্ছি তোমার
অমর্যাদাহবে না কোনদিন।
অনন্ত, আমি জানি,
এখন
তুমি একলা পাষাণ
কষ্ট
নিয়ে ঘুরে বেড়াও।
প্রচন্ড এক
অভিমানেক্ষণে ক্ষণে গর্জে ওঠে
অগ্নিগিরি।
কেউ জানে না,
আমি জানি। কেন
তোমার মনের
মাঝে মন থাকে না।
ঘরের মাঝে ঘর
থাকে না। উঠোন
জোড়া রূপোর কলস,
তুলসী তলেরঝরা পাতা,
কুয়োতলার শূণ্য
বালতি;বাসন-কোসন,
পূর্ণিমা আর
অমাবস্যা,
একলা ঘরে এই অনন্ত,
একা একা শুয়ে থাকা,
কেউ জানে না,
আমি জানি।
কেন তুমি এমন
করে কষ্ট পেলে? সব
হারিয়ে বুকের তলের
চিতানলে, কেন
তুমি নষ্ট হলে?
কারবিহনে চুপি চুপি ধীরে ধীরে,
কেউ
জানে না আমি জানি,
আমিই জানি।
আগামী শনিবার
ভোরের
ট্রেনে তোমার
কাছে আসছি। অনন্ত,
আমায় আরকিছু না দাও,
অন্তত শাস্তিটুকু
দিও। ভালো থেকো।
তোমারই
হারিয়ে যাওয়া,
মিথিলা
Thursday, December 28, 2017
জগন্নাথপুর সার্বজনীন দূর্গোৎসবের সাংস্কৃতিক অনুষ্টানে পুরস্কার বিতরণী।
জগন্নাথপুর সার্বজনীন দূর্গোৎসবের সাংস্কৃতিক অনুষ্টানে পুরস্কার বিতরণী । এই অনুষ্টানের আয়োজন করেছেন জগন্নাথপুরের তরুণ প্রজন্ম। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাবু কামাখ্যাচরণ সরকার এবং মিহির চক্রবর্তী।
Sunday, October 29, 2017
চাকরীর আবেদন করার নিয়ম(নকল)- পল্টু কুমার দাস
বরাবর
প্রকল্প পরিচালক
সেকেন্ডারি এডুকেশন সেকটর
ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর
আব্দুল গনি রোড, ঢাকা-১০০০।
বিষয়ঃ ‘সহকারী পরিদর্শক’ পদে নিয়োগের
জন্য আবেদন।
জনাব,
সবিনয় নিবেদন এই যে, গত ০৫/০৮/২০১৫
তারিখে দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত
বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম, আপনার
অধীনে ‘সহকারী পরিদর্শক’ পদে কিছু সংখ্যক
লোক নিয়োগ করা হবে। আমি উক্ত পদে
নিয়োগ লাভে একজন আগ্রহী প্রার্থী
হিসেবে মহোদয়ের সদয় বিবেচনার জন্য
নিচে আমার যাবতীয় তথ্য সন্নিবেশ করলামঃ
নাম : পল্টু কুমার দাস
পিতার নাম : জহর লাল দাস
মাতার নাম : প্রিয়লতা দাস
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রামঃ জগন্নাথপুর, ডাকঘর-
মৃগা
উপজেলা- ইটনা,
জেলা- কিশোরগঞ্জ।
বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম- জগন্নাথপুর, ডাকঘর- মৃগা
উপজেলা- ইটনা,
জেলা- কিশোরগঞ্জ।
জন্ম তারিখ : ২১/০৮/১৯৯৪খ্রি.।
জাতীয়তা : বাংলাদেশী
ধর্ম : হিন্দু
শিক্ষাগত যোগ্যতা :
পরীক্ষার নাম শাখা/বিষয় পাশের
সন ফলাফল বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয়
এস.এস.সি মানবিক ২০১১ জিপিএ
৩.৫০ ঢাকা
এইচ.এস.সি মানবিক ২০১৩ জিপিএ
৩.৩০ সিলেট।
অতএব, মহোদয় সমীপে বিনীত প্রার্থনা,
উল্লিখিত তথ্য সুবিবেচনাক্রমে আমাকে
‘সহকারী পরিদর্শক’ পদে নিয়োগ দান করে
আমার শ্রম ও মেধা প্রয়োগের মাধ্যমে চাকরি
করার সুযোগ দানে মর্জি হয়।
নিবেদক
(পল্টু কুমার দাস)
সংযুক্তিঃ
১। ছবি ২ কপি।
২।একডেমিক সকল সনদপত্রের সত্যায়ি কপি।
৩। চারিত্রিক সনদপত্র।
৪। নাগরিকত্ব সনদপত্র।
৫। ২০০ টাকার পোস্টাল অর্ডার নং- ..............
আশা করি সকলের কাজে লাগবে।ধন্যবাদ
একটি " জগন্নাথপুর শিক্ষা ফাউন্ডেশন"
জগন্নাথপুর শিক্ষা ফাউন্ডেশন একটি অলাভজনক সেবা প্রতিষ্টান। উক্ত গ্রামের হতদরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের বিনা খরচে শিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা ও আর্...
-
আর পারছি না গুরু তেইশটা বছর ধরেপ্যান্টে শার্ট গুজে পরে আর পারছিনা গুরুসেই নার্সারি থেকে শুরু। পাড়ার যত ছেলেগুলোসবার ঘরে বউ এল মা বললেন ম...
-
প্রশ্ন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভগবান, তুমি যুগে যুগে দূত, পাঠায়েছ বারে বারেদয়াহীন সংসারে,তারা বলে গেল “ক্ষমা করো সবে’, বলে গেল “ভালোবাসো–অ...
-
বাসর ঘরে ঢুকতেই বউ আমাকে নমস্কার জানালো।আমিও নমস্কার উত্তর শুনে পাশে গিয়ে বসলাম। পাশে বসতেই বৌ আমাকে বলল.... ----ঘড়িতে তাকিঁয়ে দেখুন তো...